
ঈদ যাত্রায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উওর অঞ্চলের ২১ জেলার হাজার হাজার যাত্রীরা।
মোঃ মাইনুদ্দিন শিকদার
স্টাফ রিপোর্টার গাজীপুর।
রমজান মাস প্রায় শেষের পথে দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। প্রিয়জনদের সাথে ঈদ উদযাপন করতে আপন ঠিকানায় ছুটছে কর্মজীবী মানুষ। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি।
যানবাহনের তীব্র চাপ ও ঘরমুখী মানুষের ঢলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে প্রায় ২১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট দেখা দিয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।
আজ বুধবার (১৮ ই মার্চ) বিকেল গড়াতেই শিল্প নগরী গাজীপুরের কয়েকশত শিল্প কারখানা ছুটির ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। ছুটি পেয়েই কর্মজীবী এসব মানুষ পরিবারের টানে বাড়ির পথে রওয়ানা হয়েছে।
দেখা গেছে, গাজীপুরের ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সড়কে নেমেছে হাজার হাজার যাত্রী। উত্তরাঞ্চলের ২৬ জেলার প্রবেশদ্বার চন্দ্রা এলাকায় যাত্রীর চাপের সাথে সাথে ছোট বড় যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ।
এতে চন্দ্রা টার্মিনালে যানবাহন প্রবেশে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যার কারণে এ সড়কের চন্দ্রা, খাড়াজোড়া থেকে জেলার কোনাবাড়ী উড়ালসড়ক পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ৬ কিলোমিটার সড়কে নজিরবিহীন যানজট সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু স্থানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছে যানবাহন।
দূরপাল্লার বাসে থাকা যাত্রীরা বলেন, বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বের হয়ে বাড়তি ভাড়া দিয়ে গাড়িতে উঠেছি। এক ঘণ্টায় গাড়ি এক কিলোমিটার এগিয়েছে। ধীরে ধীরে যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৬ ঘণ্টার পথ ১২ ঘণ্টায় যেতে পারবো কিনা তাই ভাবছি।
অনেক বাস চালক বলেন পুলিশ বাহিনী ঠিক মতো কাজ করছে না। এভাবে চলতে থাকলে যানজট ৫০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যাবে। এতে পরিবহন ও যাত্রী সকলের কষ্ট হবে।
বৃষ্টিতে ভিজে গাড়িতে উঠার অপেক্ষায় দাড়িয়ে আছেন অনেক যাত্রী। তারা বলেন যানজটের কারণে গাড়িই আসছে না। এই সুযোগে ভাড়া বাড়িয়ে ফেলেছে পরিবহন মালিকরা। এখানে প্রশাসনেরও কোনো হস্তক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না।
এদিকে চন্দ্রা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে পুলিশ বসে থাকলেও তাদের কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না সড়কে। কয়েকটি পয়েন্টে দিনভর পুলিশ থাকলেও বর্তমানে তাদের তেমন কোন উপস্থিতি নেই।
Leave a Reply