1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

এল নিনো নিয়ে সতর্কবার্তা, আরো উষ্ণ হতে পারে বিশ্ব

অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ০ Time View

 

জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা মঙ্গলবার একটি মাঝারি বা সম্ভবত শক্তিশালী এল নিনোর পূর্বাভাস দিয়েছে। এটি আগামী মাসগুলোতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করতে পারে।

 

 

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) মতে, এল নিনো হলো মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার একটি পর্যায়ক্রমিক উষ্ণায়ন এবং সাধারণত ৯ থেকে ১২ মাস স্থায়ী হয়।

 

ডব্লিউএমও বলেছে, উষ্ণ সমুদ্রের জল এল নিনোর বিকাশে ইন্ধন জোগাচ্ছে এবং জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিশ্বের বেশিরভাগ অংশে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রার পূর্বাভাস দিয়েছে। ডব্লিউএমও আরো বলেছে, এল নিনো সম্ভবত নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

 

ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো বলেছেন, ‘আমাদের একটি সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

 

এর ফলে খরা ও ভারি বৃষ্টিপাত আরো বেড়ে যাবে। এ ছাড়া স্থল ও সমুদ্র উভয় স্থানেই তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বৃদ্ধি করবে।’

ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো সেলেস্তে সাওলো বলেছেন, ২০২৩-২৪ সালের সর্বশেষ এল নিনোর প্রভাবেই ২০২৪ সাল এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে উষ্ণ বছর হয়েছে।

 

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে।

 

এপ্রিলের শেষ থেকে মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়েছে, যা নতুন করে এল নিনো গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সংস্থাটি আরো বলেছে, ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচেও অস্বাভাবিক উষ্ণতা দেখা যাচ্ছে। সেখানে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের নিচে জমে থাকা এই অতিরিক্ত তাপ ধীরে ধীরে ওপরের পানিকে আরো উষ্ণ করছে। এর ফলে এল নিনোর শক্তি বৃদ্ধি এবং এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

 

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এল নিনো বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাভাবিক আবহাওয়ার ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। এর প্রভাবে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চল, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চল, আফ্রিকার শিং অঞ্চলের কিছু দেশ এবং মধ্য এশিয়ায় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

 

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া, মধ্য আমেরিকা, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু এলাকায় খরার ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বলেছে, এল নিনো বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়াতে পারে। পাশাপাশি মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে হারিকেনের শক্তি বৃদ্ধি করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

 

এদিকে আন্তোনিও গুতেরেস জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকতে বিশ্বের দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকে এটিকে একটি জরুরি জলবায়ু সতর্কতা হিসেবে দেখতে হবে। এল নিনো বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব আরো বাড়িয়ে দেবে।’

 

তবে ডব্লিউএমও জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এল নিনো আগের তুলনায় বেশি হচ্ছে বা আরো শক্তিশালী হচ্ছে, এমন স্পষ্ট প্রমাণ নেই। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন এল নিনোর প্রভাবকে ভয়াবহ করে তুলতে পারে। ফলে তাপপ্রবাহ, ভারি বৃষ্টিপাত এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরো তীব্র হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Design By BDit.com.bd