1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

ওষুধের বাজারে উত্তাপ

অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১ Time View

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বড় করছে সরকার। এ তালিকায় এখন ওষুধের সংখ্যা ১৩৫ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৫। এসব ওষুধ সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করতে হবে। সরকারের নেওয়া এ সিদ্ধান্তে ওষুধ শিল্প মালিকদের কিছুটা অসন্তোষ থাকলেও এতে চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে বলে আশা স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের।

৮ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের হালনাগাদ তালিকার অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নীতিরও অনুমোদন দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সেদিন সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকায় ১৩৫টি ওষুধ যুক্ত করা হয়েছে। এখন অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সংখ্যা ২৯৫।

এই ওষুধগুলোর মূল্য সরকার নির্ধারণ করবে। তালিকায় থাকা এসব ওষুধ দেশের ৮০ শতাংশ মানুষের প্রাথমিক চাহিদা মেটাবে এবং এসব ওষুধ দেশের মানুষের ৮০ শতাংশ রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করা ও ওষুধের মূল্য নির্ধারণ নীতি তৈরির জন্য টাস্কফোর্স ও কমিটি করা হয়েছিল। এ টাস্কফোর্স ও কমিটি ওষুধবিশেষজ্ঞ, ওষুধশিল্প মালিক, জনস্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ও পরামর্শক, গবেষকসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে পৃথক সভা করেছে ও তাঁদের সুপারিশ নিয়ে তালিকা ও নীতি চূড়ান্ত করেছে।

দেশের মানুষের স্বাস্থ্যব্যয়ের দুই-তৃতীয়াংশ চলে যায় ওষুধের পেছনে। মানুষের কাঁধ থেকে ব্যয়ের বোঝা কমানোর জন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবকিছু আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রীতিনীতি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনেই করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ বলেন, সরকার নিয়মিতভাবে ওষুধের দাম পুনর্নির্ধারণ না করায় অনেক ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে আগ্রহ হারিয়েছিল। মূল্য নির্ধারণ স্থবির থাকায় কম্পানিগুলো এমন সব আইপি (ইন্ডিকেটিভ প্রাইস) ওষুধে জোর দেয়, যেগুলোর দাম তারা নিজেরা নির্ধারণ করতে পারে।

চিকিৎসকরাও সেসব ওষুধ প্রেসক্রাইব করতেন বেশি। ফলে বাজারে কম দামের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ পাওয়া যেত না। এতে সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে তুলনামূলক বেশি দামের ওষুধ কিনতে হতো।’

তিনি বলেন, ‘নতুন নীতিতে ফর্মুলাভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ কার্যকর হলে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ আবার বাজারে আসবে এবং তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাবে। এতে জনগণ সরাসরি উপকৃত হবে।

তিনি বলেন, কম্পানিগুলো যেন ক্ষতির মুখে না পড়ে, আবার অতিরিক্ত মুনাফাও না করে এটাই এই নীতির লক্ষ্য। ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানিগুলো মুনাফা করবে, তবে সেটা নিয়ন্ত্রিত হবে। এই ব্যবস্থার ফলে ওষুধ কম্পানিগুলোর আগ্রাসি মার্কেটিংও কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন। কারণ এখন ফর্মুলার মধ্যে দাম নির্ধারিত থাকায় অতিরিক্ত মার্কেটিং ব্যয় করলে তা কম্পানির নিজস্ব মুনাফা থেকেই দিতে হবে, দাম বাড়িয়ে পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

 

এ বিষয়ে ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব ডেল্টা ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে মন্ত্রণালয় আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। উল্টো প্রাইসিং (মূল্য নির্ধারণ) সাব কমিটির কাছে আমরাই অনুরোধ করে তাদের সঙ্গে দেখা করে আমাদের প্রস্তাব জানিয়ে এসেছিলাম। তিনি বলেন, আমরা গণমাধ্যমে বেশ কিছু সংবাদ দেখেছি। কিন্তু তারা কোন ওষুধগুলো অত্যাবশ্যকীয় তালিকায় দিয়েছে, দাম নির্ধারণে কী পলিসি নিয়েছে, এ বিষয়ে আমরা এখনো কোনো তথ্য পাইনি।

 

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Design By BDit.com.bd