1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন

আইনজীবীরা জানান— “অভিযোগের ভিত্তিতে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ও সাইবার ক্রাইম আইনে মামলা করলে আচরণগুলো তদন্তসাপেক্ষে বিচারযোগ্য। ভুক্তভোগীরা চাইলে দ্রুত আইনি সহায়তা পেতে পারেন।”

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ সেলিম রানা
  • Update Time : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ০ Time View

সুটিংয়ের নামে নারী মডেলদের হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইল: শেরপুরের আমিনুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ সেলিম রানা

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের সংকরঘোষ উত্তর পাড়ার বাসিন্দা ইদ্রিস আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম খান–এর বিরুদ্ধে একাধিক নারী মডেলকে সুটিংয়ের নামে হেনস্থা, প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় মিডিয়া মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

মডেলদের অভিযোগ

অভিযোগকারীদের মধ্যে মডেল লাকি ইসলাম, মায়শা, সাথী ও শারমীন জানান—
সুটিংয়ের কথা বলে ডেকে অস্বস্তিকর আচরণ করা, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিয়ে পরবর্তীতে কাজ না দেওয়া, এবং প্রস্তাবে রাজি না হলে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে অপমানজনক পোস্ট করে মানসিক চাপে ফেলা—এসব ছিল আমিনুলের নিয়মিত আচরণ।

মডেল লাকি ইসলাম বলেন,
“ভুয়া প্রলোভন দেখিয়ে অনেক টাকা নিয়েছে। কাজ হয়নি, উল্টো ব্ল্যাকমেইল করেছে। কয়েকবার সমাধান করতে গেলেও পরে আবার আগের মতো আচরণ করে।”

মডেল মায়শা জানান,
“এই ঘটনায় আমাদের পরিবার পর্যন্ত সমস্যায় পড়েছে। ক্ষমা করার পরেও সে ভালো হয়নি। তাই আমরা সাইবার ক্রাইমে মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি।”

স্থানীয় মিডিয়া কর্মীদের উপরেও হামলা ও হুমকির অভিযোগ

স্থানীয় মিডিয়া আইকন কোনাবাড়ীর সোহেল রানা ও আলী হোসেন জানান—
তারা প্রতিবাদ করায় আমিনুল ইসলাম খান তাদের বিরুদ্ধেও ফেসবুকে অপমানজনক পোস্ট করেন। অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, ফোনে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

শালিশে ক্ষমা, পরে আবার একই আচরণ

অভিযোগকারীরা জানান, একাধিকবার স্থানীয়ভাবে শালিশ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে আমিনুল ইসলাম খান উপস্থিত থেকে ক্ষমা চান। তাদের ভাষ্যমতে—
“ক্ষমা চাওয়ার ভিডিও ফুটেজও আছে, কিন্তু কিছুদিন পর তিনি আবার আগের মতো একই কাজ শুরু করেন।”

আইনি প্রক্রিয়া চলমান

আইনজীবীরা জানান—
“অভিযোগের ভিত্তিতে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ও সাইবার ক্রাইম আইনে মামলা করলে আচরণগুলো তদন্তসাপেক্ষে বিচারযোগ্য। ভুক্তভোগীরা চাইলে দ্রুত আইনি সহায়তা পেতে পারেন।”

অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া যায়নি

এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত আমিনুল ইসলাম খান–এর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো তিনি অস্বীকার করেছেন কি না—তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় স্থানীয় সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Design By BDit.com.bd