1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম, আমদানিনির্ভরতায় বাড়ছে ব্যয়

অনলাইন ড্রেস
  • Update Time : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ০ Time View

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের হার মাত্র ২.৩ শতাংশ। যেখানে বৈশ্বিক গড় প্রায় ৩৩.৮ শতাংশ। একই সময়ে গত চার বছরে দেশের প্রাথমিক জ্বালানি আমদানি ৪৭.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬২.৫ শতাংশে পৌঁছেছে। এতে আন্তর্জাতিক জীবাশ্ম জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার ঝুঁকি বেড়েছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

 

বুধবার (৬ মে) ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) ‘ফসচারিং বাংলাদেশ’স এনার্জি ট্রানজিশন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানির উচ্চমূল্যের পাশাপাশি ব্যয়বহুল পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট, কম ব্যবহার হওয়া কেন্দ্রগুলোর জন্য উচ্চ ক্যাপাসিটি পেমেন্ট এবং গ্যাস সরবরাহ সংকট—সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। ২০২০-২১ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরের মধ্যে কয়লার দাম প্রায় ২৯০ শতাংশ বেড়েছিল। যদিও পরে দাম কমেছে, তবুও উৎপাদন ব্যয় কমেনি।

 

 

আইইইএফএর প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেসরকারি তেল ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে উচ্চ হারে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিতে হয়েছে, যা ব্যয় বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া গ্যাসের সংকটের কারণে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র কম লোডে চালাতে হচ্ছে, ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

 

দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাংলাদেশকে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিল-জুন সময়ে এলএনজি আমদানিতে প্রায় ১.০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ভর্তুকি দিতে হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ কম থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওঠানামার বিরুদ্ধে দেশের প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল। বিশেষ করে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎসহ বিকেন্দ্রীভূত নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থায় উচ্চ আমদানি শুল্ক এই খাতের সম্প্রসারণে বাধা তৈরি করছে। তবে ১০০ মেগাওয়াট ছাদ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে ফার্নেস অয়েল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বিবিআইএন (বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল) কাঠামোর আওতায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে পারলে ২০৩০ সালের পর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস সাশ্রয় সম্ভব হবে।

 

 

প্রতিবেদনে করপোরেট পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ওপেন অ্যাক্সেস ব্যয় কমানোরও সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে শিল্পখাত তাদের পরিবেশগত লক্ষ্য পূরণে এগিয়ে যেতে পারে।

 

আইইইএফএর প্রতিবেদন বলছে, বাস্তবসম্মত নীতি ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ব্যয় ও ভর্তুকির চাপ হ্রাস করতে পারবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Design By BDit.com.bd